গল্পঃ একান্ত গোপনে|(১)
গল্প:-একান্তে গোপনে |সংগ্রহীত|
স্ত্রী ও একটি বছর তিনেকের ছেলে নিয়ে আমার সংসার বেশ সুখেই কাটছিল, কিন্তু ভগবান বোধহয় সব সুখ একসঙ্গে দেন না। তা না হলে আমার স্ত্রী হঠাৎ পক্ষাঘাতে পঙ্গু হয়ে পড়বে কেন বলো? প্রায় এক বছর হলো, স্ত্রীর সঙ্গে আমার শারীরিক কোনো সংযোগ নেই। আর তাই বোধহয় আজ হঠাৎ তোমার এমন মধুর সঙ্গ পেয়ে আমি একটু বেহিসেবীপনা করে ফেলেছি।’
না, না, এটাইতো প্রকৃতির ধর্ম, নারী পুরুষ একত্রিত হলে এমনি হয়। তুমি এমন কিছু বেহিসেবীপনা করোনি। আমার বিশ্বাস, শিলিগুড়িতে গিয়ে আমি অতৃপ্ত জীবনে আরও বেশি করে তৃপ্তি আনতে পারবো। স্বামী নেই, ওখানে গিয়ে তুমি আমার বাড়িতেই উঠবে। আমার ছেলে বেলা এগারোটায় ফিরে আসে, আশাকরি তার আগেই তোমাকে পরিপুর্ণ তৃপ্তি দিয়ে ফেরাতে পারবো।
সকাল হতেই রকেট বাস এসে পৌঁছলো শিলিগুড়িতে। কালবিলম্ব না করে বাস স্ট্যান্ড থেকে প্রিয়ব্রতকে সঙ্গে নিয়ে মণীষা সোজা তাদের হিলকার্ট রোডের বাড়িতে ফিরে এলো। তখন বেলা প্রায় নটা। বাড়ি ফাকা। ছেলেকে স্কুলে নিয়ে গেছে কাজের মেয়ে শান্তি, তাকে একেবারে নিয়েই ফিরব এগারোটার পর। এই দুইঘন্টা, ন’টা থেকে এগারোটা তাদের মিলনের স্বর্গরাজ্য বলে মনে করলো মণীষা। এত বড় বাড়িতে তারা দুজন এখন। টয়লেট থেকে তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয় নিলো তারা।
টয়লেট থেকে বেরিয়ে এসে মৃদু হাসলো প্রিয়ব্রত, বিজয়ীর হাসি। আর এখানে এই নির্জন বাড়ির মধ্যে হঠাৎ কেমন যেন ভালো গেলো মণীষার প্রিয়ব্রতকে।
ওর কাছে গিয়ে ওর খোলা প্রশস্ত বুকে হাত রাখলো, কাঁধের পেশীতে হাত বোলালো, তারপর গলা জড়িয়ে ধরলো। পেলব হাতের স্পর্শে সংবাহনের আরাম দিতে চাইলো প্রিয়ব্রতকে। প্রিয়ব্রত হাসছে। কপট হাসিতে প্রিয়ব্রত যেন ওকে অবশ করে দিতে চাইছে। মণীষা ভাবছে, এই সময় হঠাৎ যদি ওর স্বামী এসে হাজির হয় ওদের এভাবে মিলিত হতে দেখে দেখুক। একটা ক্লীবকে ও আর ভর পাবে না, ও এখন ওর মনের মানুষের সন্ধান পেয়ে গেছে। প্রিয়ব্রতকে কথা দিয়েছে ও । কথা রাখতে উদ্যোগী হলো মণীষা। যেন ওর পুরুষ কৌমার্য হরণ করছে এমনভাবে প্রিয়ব্রতকে সজোরে নিজের দিকে আকর্ষণ করলো মণীষা, ওকে ঘর্ষণ করলো নিজের নগ্ন দেহে, তারপর প্রিয়ব্রতর পরনের পোশাক টেনে খুললো, হাত দিয়ে অনুভব করলো ওর উদ্যত রিরংসার ফলা, ছাড়লো না, মুঠোয় ধরে রইলো।
প্রিয়ব্রত অস্ফুটে বলে উঠলো, কি সুন্দর বুক তোমার মণীষা।
আর তোমার এই সোনারকাঠিটাও কম সুন্দর নয় প্রিয়ব্রত, দৈর্ঘে-প্রস্থে আমার স্বামীরটার থেকে দ্বিগুণ, যেকোনো মেয়ের কাছে এটা লোভনীয়।
প্রিয়ব্রতর সারা শরীর টান-টান হয়ে উঠেছে। সত্যিকার পুরুষমানুষ। উপযুক্ত শৃঙ্গার আবিষ্কার করতে চায় প্রিয়ব্রত। টের পেয়েছে, মণীষার তৃপ্তি-সাধন খুব সহজ নয়। তাই শৃঙ্গ ওকে অবশ না করলে শুধু মোনার কাঠির স্পর্শে ওর রাগমোচন হবে না। ওর দেহ বেয়ে খানিকটা নামলো প্রিয়ব্রত, মণীষার স্তনের অগ্রভাগে মন্ডলীকার কালো দাগযুক্ত জায়গায় মুখ রাখলো, লেহন করলো স্তনটা উৎফুল্ল স্তনের খানিকটা মাংস দুই পাটির সবগুলো দাঁত দিয়ে বৃত্তাকারে গ্রহণ করে মৃদু চাপ দিলো। এক স্তন থেকে প্রিয়ব্রতর মাথাটা তুলে আর এক স্তনে আনলো মণীষা এবং বললো, এটাকেও একটু দেখো! মণীষার নিঃশ্বাসে হল্কা, নাকের পাটা ফুলছে, কথা জড়িয়ে আসছে, কোমল গোপনাঙ্গ আর্দ্র হচ্ছে। মণীষার নাভিমূলে হাত বুলোলো প্রিয়ব্রত। একটু একটু করে আরও নিচে উরুসন্ধিতে উত্তাপ অনুভব করলো, হাতের স্পর্শে দুই উরু প্রসারিত করলো মণীষা। আবেগকম্পিত গলায় বললো, আর পারছেনে। নিতম্ব ওপরের দিকে বার বার ঠেলে তুলতে মণীষা ওর ত্রীভুজে বিদ্ধ করাতে চাইছে প্রিয়ব্রতর সোনার কাঠি, দুহাতে ওর পুরুষকঠিন পশ্চাদভাগ টেনে আনছে নিজের কাঁকালের দিকে। প্রিয়ব্রত বেশ বুঝতে পারছে মণীষার চোখ মুখ উগ্র সঙ্গমেচ্ছায় বিস্তারিত, স্নায়ুমন্ডলী উত্তেজিত। উত্তুঙ্গ উত্তেজনার মুহুর্তে দুহাতে মণীষার কোমর জড়িয়ে ধরে চাপ দিয়ে ওকে ওপরের দিকে টানলো প্রিয়ব্রত, যুক্ত হলো দেহে দেহে প্রবিষ্ট হলো মণীষার মধ্যে। মণীষা অধীর আনন্দে বলে উঠলো, আঃ!
কি সুন্দর তোমার ত্রীভুজ মণীষা।
ভাল্লাগছে? আরও জোরে…।
কিন্তু প্রিয়ব্রত তাড়াহুড়ো করছে না দেহে দেহে দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে নিস্ক্রিয় প্রিয়ব্রত আবেশে চোখ বুজে উপভোগ করছে। ওদিকে মণীষা অস্থির থাকতে পারছে না। কেমন নির্লজ্জের মতো বললো, ও, আর একটু, আর একটু…
এবার সক্রিয় হলো প্রিয়ব্রত এবং অল্পক্ষণের মধ্যেই ওর উত্তাপে যৌবনের যারকরস বিন্দু বিন্দু হয়ে ঝরে পড়তে থাকলো মণীষার দেহে অভ্যন্তরে। দুজনেরই এক সঙ্গে রাগমোচন হলো। আর অবসন্ন দুটি দেহ ওই অবস্থায় পড়ে রইলো আরও কিছুক্ষণ।
মণীষার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে টয়লেটে গিয়ে ঢুকলো প্রিয়ব্রত, মণীষাও অনুসরণ করলো ও কে। এ ওর মিলনহজনিত সমস্ত ক্লেদ, ময়লা ধুয়েত মুছে সাফ করে দিলো। টয়লেট থেকে বেরিয়ে এসে প্রিয়ব্রত ঘড়ির দিকে তাকালো, সাড়ে দশটা। বললো, তোমার ছেলের ফেরার সময় হয়ে এলো, এবার যাই।
আবার কবে দেখা হবে? মণীষার চোখে আকুতির ছায়া পড়ে।
আবার দেখা কেন, এই তো ভাল, মৃদু হেসে প্রিয়ব্রত বললো, পথের দেখা পথেই তো শেষ হলে ভালো হয়, তাই না।
মণীষা ফ্যালফ্যাল করে প্রিয়ব্রতর গমন পথের দিকে তাকিয়ে রইলো। কি উত্তর দেবে ও? এই মুহুর্তে ওর সারা দেহ-মনে প্রিয়ব্রতর সুখ-স্মৃতি জড়িয়ে আছে, অন্য কথা ভেবে সেটা ও মুছে দিতে চাইলো না।
|ভুল-ভ্রান্তি থাকলে ক্ষমা করবেন|

